তিন্নিকে চুদার গল্প

আমাদের বাড়ীওয়ালা এবং বাড়িওয়ালী দুজনেই চাকুরী করেন। তাই খুব সকালে তারা দুজন একসাথে বাড়ী থেকে বেরিয়ে যান। এস এস সি পরীক্ষার্থী তিন্নি থাকে বাসায় আর তিথি, তিমি স্কুল চলে যায়। এরকম একদিন আমি ছাদে উঠে সিগারেট খাচ্ছিলাম, চারতলার অর্ধেক ছাদ আর অর্ধেক ফ্ল্যাট; সেই ফ্ল্যাটেই বাড়ীওয়ালার ফ্যামিলি। তিন্নির রুমের একটা জানালা ছিল ছাদের দিকে, সেই জানালার পর্দা ফেলা কিন্তু মাঝে মাঝে বাতাসে উড়ছে। তাতে দেখতে পেলাম থ্রিএক্স মুভি চলছে টিভিতে!!! আরেকটু সাহস করে জানালায় উঁকি দিয়ে চমকে উঠলাম!!!
তিন্নি সাথে আর দুটি মেয়ে, ওর বান্ধবী হবে হয়তো। কৌতুহল এর বদলে ভয় পেয়ে গেলাম…! আমি তারাতারি ছাদ থেকে নেমে গেলাম। ওইদিন আর দিনের বেলায় ছাদে উঠলামনা, উঠলাম একবারে রাত এগারোটায়। মন ভাল ছিলনা তাই যাওয়া আর কি, গিয়ে দেখলাম তিন্নির রুম এর আলো জ্বলছে, পড়াশোনা করছে বোধহয়। তেমন একটা আগ্রহ দেখালাম না, রাত সাড়ে বারটার দিকে যখন চলে আসব তখন দেখি আবার থ্রীএক্স চলছে। কিন্তু বাতাসে বারবার পর্দা উঠানামা করছিল, তাই এবার অনেক সাহস করেই তিন্নিকে দেখার জন্য একেবারে জানালার কাছে গিয়ে উঁকি দিলাম। কিন্তু পড়ার টেবিল বা বিছানায় কোথাও তিন্নি নেই, ও কোথায় ?মেঝেতে চোখ পরতেই আমিতো হতবাক !
তিন্নি মেঝেতে বসে একহাত দিয়ে ওর খাড়া দুধগুলো ডলছে, আরেক হাত ওর ভোদায় !টিভিতে থ্রি দেখে গরম হয়ে গেছে বোধহয়। আমি বেশ কিছুক্ষণ দাড়িয়ে দাড়িয়ে ওর যৌনক্ষুধা মেটানোর ব্যর্থ চেষ্টা দেখছিলাম আর মজা পাচ্ছিলাম। তিন্নি পুরো সুখ পাবার জন্য অস্থির হয়ে আছে, অথচ তার আঙ্গুল ঠিক তৃপ্তি দিতে পারছেনা।
এসব দেখতে দেখতে আমিও কিভাবে যেন খুব সাহসী হয়ে গেলাম, বলে উঠলাম- “তিন্নি আমি কি তোমাকে কোনও সাহায্য করতে পারি” ?তিন্নি ঘাড় ঘুরিয়ে প্রথমে ভয় পেল তারপর হেসে ফেলল, আমাকে অবাক করে দিয়ে বলল- মুরাদ ভাইয়া আমি দরজা খুলে দিচ্ছি আপনি ওদিক এ যান।
আমার আনন্দ তখন দেখে কে…!!!

বিয়ে করে ক্যারিয়ার নষ্ট করতে চাই না, প্রয়োজনে সবাইকে ফ্রি চুদা দিব তারপরও কাওকে বিয়ে করব না

আমি মতিন, বহুদিন পর বিদেশ থেকে অনেক টাকা পয়সা ইনকাম করে গত সপ্তাহে দেশে এসেছি বিয়ে করার জন্য। এই ডিজিটাল জুগে দেশে মজা করার মত মেয়ে পাওয়া সহজ কিন্তু বিয়ে করার মত মেয়ে পাওয়া কঠিন তাই সিন্ধান্ত নিলাম যে করেই হউক এক মাসের মধ্যে বিয়ে করেই ছাড়ব আর না পারলে কয়েক জন মজা করার মত মেয়েকে উচিত শিক্ষা দিয়ে আবার চলে যাব দেশের বাহিরে। ভাল পাত্রীর খুজে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিলাম কোন লাভ হল না

বরং টাকা নষ্ট হল, তারপর হাল না ছেড়ে থেকে কিছু চটি গল্প পড়ে বুদ্ধি নিয়ে পত্রিকায় নতুন মডেলের খুজে বিজ্ঞাপন দিলাম আর রেডিসনের একটি রুম বুক করে নিলাম যেখানে হবে মডেল বাছাই এর প্রস্তুতি। নতুন মডেলের খুজে বিজ্ঞাপন দিতেই শনিবার সকাল থেকে সুন্দরি মেয়েদের হিড়িক কোনটা ছেড়ে কোনটা খাব বলাই মুশকিল। ভাগ্য ভাল আগে থেকেই দুই জন নামি দামী ফটুগ্রাফার ঠিক করে রেখেছিলাম, আর না হলে ফেসেই যেতাম পুরুপুরি। তারপর সকল ফাইল থেকে একটি কচি সুন্দরি মেয়ে (নাম প্রেমা) কে সবার আগে ডাকলাম ইন্টারভিও তে, মেয়েটি এসেই বল্ল কত জায়গাতে গিয়েছি কত জন কে দরেছি মডেল হবার জন্য সবাই শুধু মৌ মাছির মত মধু খায় আর বন্ধুদের নিয়ে মজা করে কোন চান্স দেয় না। আমি কথা সুনে হা করে কিছুক্ষণ মেয়েটির মুখের দিকে তাকিয়ে বললাম – কিছু পেতে হলে কিছু দিতেই হবে এটাই জগতের নিয়ম। আমার কথা সুনে মেয়েটি বল্ল স্যার যা করার তারাতারি করেন আমার কোচিং এ যেতে হবে। আমি বললাম মাত্র সুরু আরও এক ঘণ্টা লাগবে তুমাকে ভাল করে দেখতে হবে আর না হলে চলে যেতে পার। প্রেমা বল্ল কি দেখতে চান? আমি বললাম সকল কাপড় খুলে দারাও তারপর বলছি

মাসুমের বাংলা চুদন

মাসুম একা একা বারান্দায় পায়চারী করছে। হালকা বাতাস বইছে। বারান্দা থেকেপাসের বাসার রান্নাঘর দেখা যায়। ওরা পাশাপাশি থাকলেও আলাপ হয়নি কখনো। আলাপ হবেই বা কি করে বৌদি কখনো এদিক ওদিক তাকায়না কাজ করে যায় আপন মনে। পাশেরবাসার বৌদির রান্নার দৃশ্য দেখা যায় এখান থেকে স্পষ্ট। কখনোবা ছাদে গেলে দেখা যায় কাপড় রোদে দিতে গেলে।বেশিরভাগ সময়মেক্সি পরে থাকে, ওড়না ছাড়া। শাড়ী পরলে আচলটা বুকে ফেলে রাখে তা না থাকারমতোই।ছোট হাতা বড় গলার ব্লাউজ পড়ে, একটা বুক প্রায়ই বেরিয়ে থাকে। মাসুম নখকাটার জন্য বারান্দায় গেছে। নখ কাটছে আর মঝে মাঝে বৌদির নাস্তা তৈরী করারদৃশ্য দেখছে। বৌদির দুটো ছেলেমেয়ে হলেও শরীরটা ঠাসা, স্লীম যাকে বলে। এখনোযৌবন ভরপুর। দেখে মনে হয় স্বামীর সংগে যৌন ও সংসার জীবনে সুখী। তা না হলেএকবারো মাসুমের মতো একটা বীর্যবান সুঠামদেহের পুরুষের দিকে তকাবেনা কেন? ওনার স্বামীকে দেখলে অবশ্য মনে হয়না এরকম আগুনেব মতো শরীরের একটি মেয়েকে সেপুরোপুরি সন্তুষ্ট করতে পারবে, ঢোসকা শরীর, ইয়া ভুরি, বেটে কুচকুচে কালো। অন্যদিকে মাসুমের ব্যায়ামের শরীর। ব্যায়মের যন্ত্রপাতি কিনতে কিনতে ঘরটাকেজিম বানিয়ে ফেলেছে। বডি বিল্ডার কম্পিটিশনে অবশ্য মহানগরের মধ্যে দ্বিতীয়হয়েছে।কিন্দ্র তারপরো মহিলা মাসুমের দিকে তাকায় না। মাসুমের বউ বাসায়থাকলে অবশ্য এত সময় ধরে বারান্দায় থাকতো না। কিন্ত ওর বউ বাপের বাড়ি গেছেপ্রায় মাসখানেকের জন্য। তাই সেই সুযোগে একটু বেশি সময় ধরে নখ কাটছে আরআড়চোখে বৌদিকে দেখছে। আজ বৌদি একটা মেক্সি পড়েছে, সাদা পাতলা ফিনফিনে, স্লীভলেস। তরকারি নাড়াচারার সময় বগলতলার চুল দেখা যাচ্ছে প্রায়ই। অনেকদিনথেকে মাসুমের ইচ্ছে একটা হিন্দু মেয়েকে বিছানায় নেবে মানে খাটি বাঙলায়চুদবে। কিন্ত্র এ মাগি একবারো ফিরে তাকায় না। মনে মনে গালি দেয় মাসুম।